উপকূলীয় অঞ্চলে ৫০০ লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন করবে পিকেএসএফ

0
359

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে খাবার পানির সংকট নিরসনে পাঁচ শতাধিক সৌরবিদ্যুৎ চালিত ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট (লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট) স্থাপন করবে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতি ব্যবহার করে সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। উল্লেখ্য, পিকেএসএফ ইতিমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ৮৩টি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। ৫ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওস্থ পিকেএসএফ ভবনে নিরাপদ পানি প্রকল্প সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদেরকে ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
নিরাপদ পানি প্রকল্পের এ সূচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ফজলুল কাদের। এতে বক্তব্য রাখেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. মো. জসীম উদ্দিন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. ফজলে রাব্বি ছাদেক আহমাদ, মুহম্মদ হাসান খালেদ এবং মহাব্যবস্থাপক ড. এ. কে. এম. নুরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে ফজলুল কাদের বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সহজলভ্য উৎসের অভাবে মানুষ বাধ্য হয়ে লবণাক্ত পানি ব্যবহার করছে, যা তাদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। লবণাক্ত পানি ব্যবহারের কারণে পানিবাহিত রোগ, চর্মরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় পিকেএসএফ স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ব্যবসায় উদ্যোগ মডেল অনুসরণ করে ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করছে। ড. মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর থেকেই পিকেএসএফ উপকূলীয় জেলাগুলোতে সুপেয় পানি সরবরাহ করে আসছে।