সিপিডির ক্লাইমেট উইকে পুরস্কার পেল শক্তি ফাউন্ডেশন

0
346

নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্য সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ক্লাইমেট উইক-২০২৫ এ ফার্স্ট রানারআপ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে শক্তি ফাউন্ডেশন। ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বিসিইপি প্রকল্পের জন্য এ সম্মাননা অর্জন করে সংস্থাটি। ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় সম্মেলনের সমাপনী দিনে শক্তি ফাউন্ডেশনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ও বাংলাদেশের রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি কার্লসেন।
আকাক্সক্ষাকে কাজে রূপান্তর প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে ক্লাইমেট উইক-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, গবেষক, তরুণ প্রজন্ম, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা।
সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে শক্তি ফাউন্ডেশনের প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি কার্লসেন এবং বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট সৈয়দ আমির আহমেদসহ দেশি-বিদেশি নীতিনির্ধারক ও গবেষকরা।
আয়োজনে শক্তি ফাউন্ডেশন তাদের দুটি প্রকল্প উপস্থাপন করেÑলাউতলা বন ও গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন মডেল। লাউতলা বন প্রকল্পটি শহুরে বনায়নের একটি মানবসৃষ্ট উদাহরণ। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলায় দখল ও দূষণে হারিয়ে যাওয়া লাউতলা খাল পুনরুদ্ধারের পর সেখানে জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন তৈরি করেছে শক্তি ফাউন্ডেশন। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় ৭২ প্রজাতির ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে, যা নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
অন্যদিকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় শক্তি ফাউন্ডেশন একটি কমিউনিটিভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকল্পে ২০টি পরিবার নিজেদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেরা ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রতিবেশীদের কাছেও বিক্রি করতে পারছে। এ মডেলের একটি নমুনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্টলে প্রদর্শন করে। পুরো আয়োজনে শক্তি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বকে টেকসই ও ন্যায্য জলবায়ু ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে।